মোটরসাইকেলের জ্বালানি সাশ্রয়ে টিপস

মোটরসাইকেলের জ্বালানি সাশ্রয়ে টিপস

160641Duke-vs-CBR-vs-Pulsar-vs-R1 বাংলাদেশে মোটরসাইকেলপ্রেমীদের সংখ্যা গুনে শেষ করা যাবে না। বাইক চালান না কিন্তু দারুণ ভক্ত, এমন মানুষও নেহাত কম নয়। মোটরসাইকেলের পেছনে জ্বালানি খরচ বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আসলে জ্বালানি সাশ্রয় করতে হলে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। এ বিষয়ে বাইক নির্মাতারাই নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাদের দেওয়া কিছু ছোটখাট সহজ কৌশল শিখে নিন। সর্বাধিক মাইলেজ পেতে হলে কী করবেন আর কী করবেন না, তা শিখে নিন। যা করবেন : ১. একই গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর চেষ্টা করুন। রাস্তায় চলতে গেলে তো গতি কম-বেশি করতেই হয়। কিন্তু যখন খালি রাস্তায় একাধারে চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই গতিতে চালানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। ২. দুই চাকায় বাতাসের চাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন। এগুলো ব্যবহারবিধিতে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী টায়ারের প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করুন। ৩. চেইনের টান সঠিক ও ঠিকঠাক রাখুন। অর্থাৎ, বেশি ঢিলেঢালা বা টাইট রাখা যাবে না। ৪. ইঞ্জিনকে স্থিতিশীল অবস্থায় রাখতে হবে। নিয়মিত বিরতিতে সার্ভিসিং করতে হবে। যে কম্পানির সার্ভিসিং সেন্টারে নিয়ে যান। যা করতে নেই : ১. বাইক চালানোর সময় অযথা ক্লাচ লিভারে চাপ ফেলবেন না। ২. কম গিয়ারে দীর্ঘ সময় ধরে ইঞ্জিনকে সচল রাখবেন না। ৩. সরাসরি সূর্যালোকের নিচে মোটরসাইকেলটাকে পার্ক করে রাখবেন না। এতে পেট্রল বাষ্পীভূত হতে থাকে। ৪. চলমান অবস্থায় ব্রেক প্যাডেলে পায়ের চাপ বজায় রাখবেন না। ৫. ট্রাফিক বেশি অবস্থায় ইঞ্জিনের আরপিএম বৃদ্ধি করবেন না। তিরিশ সেকেন্ডের বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে হলে ইঞ্জিন বন্ধ করে দিন। ৬. এয়ার ফিল্টারের খোলা মুখগুলোকে কখনো ঢেকে দেবেন না। ৭. ইঞ্জিনের সামনে ও দুই পাশ কিছু দিয়ে ঢেকে দেবেন না। এতে করে ইঞ্জিনের পাখনাগুলোতে স্থিতিশীল বায়ুপ্রবাহ বাদাগ্রস্ত হবে। এতে এয়ার কুলিং সিস্টেম ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং গরম হয়ে যাবে।
জেনে নিন এলাচির ঔষধি গুণগুলো পূর্ববর্তী

জেনে নিন এলাচির ঔষধি গুণগুলো

আজকের এই দিনে : ০১ মার্চ, ২০১৭ পরবর্তী

আজকের এই দিনে : ০১ মার্চ, ২০১৭

কমেন্ট