সময়মতো পানি পানেই উপকারিতা

সময়মতো পানি পানেই উপকারিতা

105657pani-1 যত বেশি পানি পান করবেন, শরীর তত বেশি সুস্থ থাকবে। আবার দিনে আট গ্লাস বা তিন-চার লিটার পানি পানের কথাও বলা হয়। এসব কথা মিথ্যা না হলেও এই 'পরিমাণই' যথেষ্ট নয়। প্রকৃতপক্ষে 'প্রয়োজন ও পরিমাণমতো' পানির সঙ্গে চাই 'সময়মতো' পানি পানের অভ্যাস। আবার দুপুরে খাওয়ার আগে নাকি পরে বেশি পানি খাবেন, রাতে বা সকালে কী পরিমাণ পানি খাবেন- এ নিয়েও ভিন্ন ভিন্ন অভ্যাস ও বিশ্বাস চালু রয়েছে। এ লেখায় পানি পানের এমন কিছু সময়ের কথা তুলে ধরা হলো, যা আপনার অনেক ভুল ধারণা ভেঙে দেবে। ঘুম থেকে ওঠার পর : সকালে চোখ খোলার সঙ্গে সঙ্গে কম করে এক-দুই গ্লাস পানি খেতেই হবে। এমনটা করলে শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর সব বিষ বেরিয়ে যায়। রাতে শুতে যাওয়ার আগে : রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস পানি পান করা আবশ্যক। এর ফলে রাতে ঘুমের মধ্যে শরীরে পানির অভাব হওয়ার আশঙ্কা দূর হয় বলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা হৃদরোগে আক্রান্ত (হার্ট অ্যাটাক) হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পায়। গোসলের আগে : প্রতিবার গোসল করার আগে অল্প করে পানি পান করে নেবেন। তাতে শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, রক্তচাপও স্বাভাবিক হতে শুরু করে। শরীরচর্চার আগে ও পরে : ব্যায়াম শুরু করার আগে ও পরে কম করে এক-দুই গ্লাস পানি পান করা জরুরি। এর ফলে পানিশূন্যতায় (ডিহাইড্রেশন) আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমবে। শরীর খারাপের সময় : শরীর খারাপ থাকলে পানিশূন্যতার আশঙ্কা থাকে। তাই অসুস্থ অবস্থায় অন্য সময়ের তুলনায় বেশি পানি পান করতে হবে। যখন খুব ক্লান্ত : সারাক্ষণই কেমন যেন দুর্বল লাগে? কাজ করার শক্তিই পান না? এমন লক্ষণ দেখা গেলে বুঝবেন আপনার শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাই ক্লান্তি বোধ করলেই এক গ্লাস পানি পান করে নেবেন। দেখবেন অনেক তরতাজা লাগবে। টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে
রুপচর্চায় ডিমের সাদা অংশের ফেসপ্যাক পূর্ববর্তী

রুপচর্চায় ডিমের সাদা অংশের ফেসপ্যাক

ডুবন্ত টাইটানিককে দেখতে চান: গুণতে হবে ৮৪ লাখ টাকা পরবর্তী

ডুবন্ত টাইটানিককে দেখতে চান: গুণতে হবে ৮৪ লাখ টাকা

কমেন্ট