বর্তমানে কোনো কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সরকারের বিদ্যমান কোনো চুক্তিও নেই: জ্বালানিমন্ত্রী
কেন বার বার খুলে যায় জুতার ফিতে!
বাড়ি থেকে জুতার ফিতা টাইট করে বেঁধে বের হলেন, কিন্তু ঘণ্টা খানেক বাদেই খেয়াল করলেন খুলে গিয়েছে। রাস্তা-ঘাটে জুতার ফিতে খুলে যাওয়ার ঘটনাটা এতটাই নৈমিত্তিক যে, তাকে আমরা তেমন ভাবে খেয়ালই রাখি না। কিন্তু তলিয়ে দেখলে বোঝা যায়, জুতার ফিতা খুলে যাওয়ার ব্যাপরটা মোটেই তেমন হালকা নয়। ফিতেতে পা বেঁধে আছাড় খেয়েছেন, এমন ঘটনা প্রায়শই ঘটে। বহু রকমের সাবধানতা অবলম্বন করেও ফল হয় না।
জুতার ফিতের এই ‘বেইমানি’-র পিছনে কারণ কী— এই বিষয়টাই ভাবিয়েছিল একদল প্রযুক্তি-গবেষককে। বিস্তর গবেষণার পরে সম্প্রতি তাঁরা আবিষ্কার করতে সমর্থ হলেন আচমকা জুতোর ফিতে খুলে যাওয়ার রহস্য।
খেয়াল করলে দেখা যায়, টাইট করে বাঁধা জুতোর ফিতেও যখন খুলে যায়, তখন এমনটা মনে হয়েই থাকে যে, কেউ যেন আঙুল চালিয়ে খুলে দিল ফিতে। ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাট বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ক্রিস্টোফার ডেইলি-ডায়মন্ড এবং তাঁর সহকর্মীরা এই নিয়ে একটা পরীক্ষা করেন। তাঁরা ট্রেডমিল-এ একব্যক্তিকে হাঁটান। বলাই বাহুসল্য তাঁর পায়ে ছিল ফিতে বাঁধা জুতো। তাঁর জুতোর ফিতে খুলে যাওয়ার বিষয়টিকে ভাল করে লক্ষ করেন তাঁরা। দেখা যায়, ফিতের বাঁধন ক্রমে ঢিলে হয়ে আসছে। হাঁটার ছন্দে সঙ্কোচন ও প্রসারণ ঘটে বাঁধনের ফলেই বিপত্তি দেখা দেয়, এই প্রচলিত মতের সঙ্গে পায়ের সঙ্কেচন-প্রসারণে জুতোর পিতে খুলে মাটিতে লুটোয়।
কিন্তু কেন হঠাৎ জুতোর ফিতে নিয়ে পড়লেন গবেষকরা? বিষয়টাকে জুতোর ফিতে থেকে সরিয়ে গবেষকরা আসলে জোর দিয়েছেন ডিএনএ স্ট্রাকচারের উপরে। এই গঠনটিও জুতোর ফিতের অনুরূপ। ডিএনএ মাইক্রোস্ট্রাকচারেও একই ঘচটনা গটে থাকে বলে জানিয়েছেন ডায়মন্ড। কোন ধরনের বাঁধন তবে কার্যকর— এই প্রশ্নের সমাধানে ব্যস্ত এখন গবেষক দল। তাঁদের ধারণা, এই আবিষ্কার জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং চর্চায় বড় রকমের বদল আনতে পারে।
কমেন্ট