পোশাক হোক 'গরমবান্ধব'

পোশাক হোক 'গরমবান্ধব'

095820Summer-fashion-male-casual- ঢিলেঢালা : যে পোশাক আপনার দেহের সঙ্গে লেগে থাকে না, সেগুলো গরমে ত্বকে স্বস্তি জোগায়। তাই গ্রীষ্মকালে পোশাক কেনার সময় তা যেন যথেষ্ট ঢিলেঢালা হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। স্কিন টাইট পোশাকের তুলনায় এগুলো যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর। প্রাকৃতিক ফ্যাব্রিক : গ্রীষ্মকালে পলিস্টার বা এজাতীয় কৃত্রিম তন্তু থেকে তৈরি পোশাকের বদলে ব্যবহার করুন প্রাকৃতিক ফ্যাব্রিকের পোশাক। এ ধরনের পোশাক আপনার দেহের ঘাম দূর করবে এবং দেহকে ঠাণ্ডা রাখবে। হালকা পোশাক : বাড়তি ও ভারী পোশাক আপনার পোশাকের ওজন বাড়াবে। এ ছাড়া বাড়তি পোশাকের কারণে আপনার দেহের সঙ্গে কাপড় সেঁটে থাকবে। এতে বাতাস চলাচল কমে যাবে এবং আপনার দেহের তাপমাত্রা বাড়বে। ফলে গরমে আপনার ঘাম হবে এবং নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হবে। তাই গ্রীষ্মে হালকা পোশাক পরাই সবচেয়ে ভালো। হালকা রং : টেস্ট ক্রিকেটে সাদা পোশাক পরে থাকে খেলোয়াড়রা। কারণ গাঢ় রং তাপমাত্রা শোষণ করে এবং দেহের তাপমাত্রা বাড়ায়। অন্যদিকে হালকা রং বাইরের তাপ গ্রহণ না করে বরং প্রতিহত করে। তাই গরমে সাদা বা এ ধরনের হালকা রঙের পোশাক পরুন। কটন ও ডেনিম : গরমে কটন ও ডেনিমের মতো সুতি কাপড়ের পোশাক পরা যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, এগুলো যেন টাইট ফিটিং না হয়। এ ছাড়া টি-শার্টও একটি আরামদায়ক বিকল্প। বায়ু চলাচল : কিছু পোশাক রয়েছে যেগুলোর ভেতর দিয়ে বায়ু একেবারেই চলাচল করতে পারে না। এগুলো অনেকটা বায়ুরোধকের মতোই দেহের ভেতর বায়ু আটকে দেয়। ফলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই গরমকালে এ ধরনের পোশাক না পরাই ভালো। হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব
লিপস্টিক কীভাবে ক্ষতি করে শরীরের? পূর্ববর্তী

লিপস্টিক কীভাবে ক্ষতি করে শরীরের?

ভুলেও রাতে তরমুজ খাবেন না পরবর্তী

ভুলেও রাতে তরমুজ খাবেন না

কমেন্ট