
পরিবারের সবার ছোটো শিশুটি সবসময়ই বাবা-মার একটু বেশি আদর-যত্ন পায়। ভাইবোনের কাছেও সবচেয়ে প্রিয় হয়। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে স্বাভাবিকভাবেই আদর-যত্ন কিছুটা কমে আসে, তারপরও তা একটা মানসিক ধাক্কাই বটে। বিশেষ করে ওয়াশিংটন টাকোমার হাই স্কুলের ছাত্রী মেগের জন্য তো অবশ্যই।
সম্প্রতি মেগ তার স্কুলজীবনের শেষ দিনে দুইটা ছবি টুইটারে পোষ্ট করে, যেখানে দেখা যায় স্কুলের শেষ দিনে মেগের বাবা তার জন্যে লাঞ্চ বক্সে কি একটা মেসেজ দিয়েছিল। এটা দেখে বেশ বিস্মিতও হলো সে।
একেবারে শুরু থেকেই বাবা মেগের লাঞ্চ বক্স তৈরি করে দিত। প্রতিদিনই সে একটি কমলা খোসা ছাড়িয়ে মেগের লাঞ্চের জন্যে দিত। কেননা মেগ বলেছিল, সে খোসা ছড়াতে পারেনা। এ নিয়ে পরিবারে ভেতর ঠাট্টা-তামাসাও কম হয়নি।
তবে মেগ ধীরে ধীরে কমলার খোসা ছাড়ানোর মতো বড় হয়ে গেলেও বাবা তার দায়িত্বটা পালন করতেন। খোসা ছড়িয়েই কমলা দিতেন। তা দেখে বন্ধুদের ঠাট্টা চলতই। স্কুল জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাবা খোসা ছড়িয়ে টিফিন বক্সে কমলা দিতেন।
হাই স্কুলের শেষ দিনে এসে মেগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখলো, ‘বাবা কিন্ডারগার্টেন থেকেই আমার লাঞ্চ বক্সে কমলা খোসা ছাড়িয়ে দিত অথচ স্কুলের শেষ দিনে আমি বক্স খুলে এই পেলাম।’ টুইট করা ছবি দুইটিতে দেখা যাচ্ছে, দুইটি কমলা এবং তার খোসা ছাড়ানোর পদ্ধতি লেখা রয়েছে।
এরপরই টুইট করা ছবি দুটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। এক সপ্তাহে প্রায় ৫ লাখের বেশি মানুষ এটা লাইক দিয়েছে এবং এক লাখ বার রিটুইট হয়েছে। তবে হ্যাঁ, চিন্তার কোনো কারণ নেই, কেননা মেগ কমলাটার খোসা ছাড়াতে পেরেছে।
কমেন্ট