গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
উপকারী রাইস ব্রান অয়েল
ধানের কুঁড়া থেকে উৎপাদিত ভোজ্য তেলকেই বলা হয় রাইস ব্রান অয়েল। ২০০৬ সালে নিউজিল্যান্ডে প্রথম এই তেলের উৎপাদন শুরু। এখন অনেক দেশেই জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও ব্যবহার বেড়েছে। জেনে েনেওয়া যাক এই তেলের উপকারিতা
ফ্যাট নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই
বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞের মতে, এটাই সেরা। ভোজ্য তেলের তালিকায় এর আগমন দেরিতে হলেও দ্রুত গ্রহণ করে নিয়েছে সবাই। অন্যান্য তেলে পলি-আনস্যাটুরেটেড ফ্যাট খুব বেশি থাকে এবং এর পরিমাণ কমাতে নানা প্রক্রিয়া চালানো হয়। কিন্তু রাইস ব্রান অয়েলে প্রকৃতিগতভাবেই দুই ফ্যাটের প্রায় সমানুপাতিক হার বজায় থাকে।
হৃদযন্ত্রের সঙ্গে হৃদ্যতা
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা জানান, হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী কোনো তেল বলতেই রাইস ব্রানের কথা আগে আসবে। এতে সঠিক পরিমাণে ওরিজানোল নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা দেহের কোলেস্টেরল শোষণের মাত্রা কমাতে এবং বিতাড়নের মাত্রা বাড়াতে ওস্তাদ। হার্টের সুস্থতায় কার্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে এই তেল খুবই ভালো।
ভিটামিন ই
এক শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভিটামিন ই। আছে অ্যান্টিমিউটাজেনিক উপাদান যা ক্যান্সার প্রতিরোধী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এই ভিটামিনের ওপর ভরসা রাখা হয়। এই তেলে আছে টকোট্রিনল।
ওজন নিয়ন্ত্রণ
প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকাতে বিপাক ক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে বেশ কাজ করে রাইস ব্রান। এটা দিয়ে রান্না করা হলে সহজে খাবার পচে না, আবার দুর্গন্ধও হয় না।
সাবধানতা
এই তেল রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমায়। তাই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি থাকলে এই তেল ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে অস্টেয়পরসিস বা হাইপোক্যালসেমিয়াতে আক্রান্তদের সাবধান থাকতে হবে। রক্তস্বল্পতা, আলসার কিংবা বদহজম থাকলে সমস্যার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
ওয়েবএমডি, লিফ অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার।
কমেন্ট