বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে হামের টিকার কোনো মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
কিশোর বয়সীদের আসলে কতটুকু ঘুম দরকার?
যদি মনে করেন আপনার কিশোর বয়সের ছেলে বা মেয়েটি খুব বেশি ঘুমকাতুরে, তবে হয়তো ভুল করছেন। আপনার ভুল করতে বিজ্ঞানের ওপর ভরসা রাখাই ভালো। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলস এর গবেষকরা মনে করেন, টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে অন্য বয়সীদের চেয়ে অনেক বেশি ঘুম দরকার। এই ঘুমের পরিমাণের ওপরই তাদের মানসিক স্বাস্থ্য আর লেখাপড়ায় ফলাফল নির্ভর করে। আগের একটি গবেষণায় বলা হয়েছিল, সোশাল মিডিয়া টিনএজারদের ঘুম কমিয়ে দিয়েছে।
প্রধান গবেষক অ্যান্ড্রু ফুলিগনি বেছে নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবম এবং দশম গ্রেডের ৪১৯ জন শিক্ষার্থীকে। তাদের পর্যবেক্ষণ করা হয় ১৪ দিন ধরে। আজকের ঘুমের প্রভাব তাদের ওপর পরদিন কি অবস্থার সৃষ্টি করে তা বুঝতে তিন পাতার চেকলিস্ট ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিদিন বিছানায় যাওয়ার আগে তারা এটা নিয়ে কাজ করতে থাকে। তারা নিজেদের সম্পর্কে লিখতো। সঠিকভাবে চেকলিস্ট পূরণ করলে সিনেমা দেখার টিকেটের লোভ দেখানো হয় তাদের।
দেখা গেছে, প্রতিদিনের ঘুম তাদের পরদিনের মন-মেজাদের ধরন ঠিক করে দেয়। বিশেষ করে এই বয়সীদের ঘুম বেশি বেশি না হলে বিষণ্নতা আর অস্থিরতা দেখা দেয়।
আগের দিন রাতে বেশি ঘুমালে পরদিন তারা সুষ্ঠুভাবে দিনের যাবতীয় কাজ সারতে পারে। এই ঘুমের পরিমাণ অন্যদের চেয়ে বেশি। টিনএজারদের মস্তিষ্ক সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে হলে তাই বড়দের চেয়ে বাড়তি ঘণ্টার ঘুম জরুরি।
তবে অবশ্যই প্রতিদিনের অতি কম কিংবা বেশি ঘুমের কারণে আবার অবসাদ ভর করতে পারে। খুব কম টিনএজার রয়েছে যাদের দেহ-মন ৭ ঘণ্টার কম ঘুমের ঠিকঠাকমতো কাজ করে। আবার ১১ ঘণ্টার বেশি ঘুম অবসাদ বয়ে আনতে পারে।
কমেন্ট