ব্যস্ততার মাঝেও স্বাস্থ্য সামলাতে...

ব্যস্ততার মাঝেও স্বাস্থ্য সামলাতে...

আধুনিক যুগ মানুষকে দারুণভাবে ব্যস্ত করে দিয়েছে। চব্বিশ ঘণ্টাই যেন কাজে ব্যস্ত থাকি আমরা। এমনকি সপ্তাহের ছুটির দিনটিতেও আগের ফেলে রাখা কাজ সারতে হয়। এ কারণে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য নষ্ট হচ্ছে আমাদের। কিন্তু তা খেয়াল করতে পারছি না। স্বাস্থ্যসচেতন কিছু মানুষ বিষয়টি খেয়াল করলেও হারাতে থাকা স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে পারছেন না। অথচ কাজের মাঝেই কিন্তু স্বাস্থ্য উদ্ধারে কার্যকর অনেক পদক্ষেপ নেওয়া যায়। এখানে সেই বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা কিছু ধারণা দিচ্ছেন। ১. ছোট একটা চেয়ার বা টেবিলে বসেই আপনি দেহ-মনটাকে চাঙ্গা করে নিতে পারেন। এর জন্য ব্যায়ামাগারের প্রশিক্ষকদের অধীনে ব্যায়ামের দরকার পড়ে না। আসলে দীর্ঘসময় বসে থাকার মধ্যে দরকার কায়িকশ্রম। ওই চেয়ারে বা টেবিলে বসেই আপনি আড়মোড়া ভেঙে শরীরটাকে চনমনে করতে পারেন। এ কাজটি মাঝে মাঝেই করুন। অথবা একটু হেঁটেও আসতে পারেন। ২. যখন খুব ব্যস্ততা আপনার এবং খাওয়ার মোটেও সময় নেই, তখন ব্যাগে বা পকেটে একটি গ্র্যানোলা বা প্রোটিন বার রাখতে পারেন। এটার মাধ্যমে আপনাকে জাঙ্ক ফুড বা ফাস্ট ফুড থেকে দূরে থাকতে হবে। এতে স্বাস্থ্যটা ঠিকঠাকই থাকবে। এই বারগুলো ফাইবার, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট আর ভিটামিন-খনিজে ভরপুর থাকে। ৩. যারা ব্যায়ামের জন্য আলাদা সময় বের করতে পারেন না, তাদের জন্য হাঁটা এক দারুণ শরীরচর্চা। অর্থাৎ, অফিসে যেতে যেতেই আপনি ব্যায়ামের কাজটিও সেরে ফেলতে পারছেন। কাজেই হেঁটে হেঁটে অফিসে যান। তা ছাড়া ক্যালোরি খরচের জন্যেও এটা চমৎকার উপায়। ৪. যদি পেশাজীবন এমন থাকে যে অফিসে থাকা অবস্থায় খাওয়ার সময়ই থাকে না, তবে আগে থেকেই খাবার তৈরি করে টিফিন বাটিতে নিয়ে নিন। আগের রাতেই খাবার প্রস্তুত করে রাখুন। এতে খাবারের স্বাদ একটু কমে যাবে, কিন্তু না খেয়ে তো থাকতে হবে না। ৫. কখনই কাজের টেবিলে বসে খাবার খাবেন না। বলতে পারেন যে, নইলে খাওয়া সম্ভব নয়। শুরু করলেই সম্ভব হবে। খেয়াল করে দেখুন, কারো না কারো সঙ্গে আপনি মিটিং করছেন বা কথা বলছেন। ওই সময়টা খাবার পেছনে ব্যয় করা যায়। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, কাজের ভারে খাবার সময় হয় না বলে অনেকের কাছেই মনে হতে পারে। আসলে খাবারের সময়টা আপনি হয়তো কারে সঙ্গে কথা বলে বা অপ্রয়োজনীয় মিটিং করেই কাটাচ্ছেন। তাই খাবারের আগে অবশ্যই ১০-১৫ মিনিটের বিরতি নিন। খাবারটা আলাদাই খান। ৬. ডার্ক চকলেটের সহায়তা নিতে পারেন। এতে থাকে শক্তি। ক্ষুধাও বেশ কিছুক্ষণের জন্য চলে যাবে। একেবারে না খেয়ে খাকবেন না। কাজ করতে করতেই একটা চকলেটের বার খেয়ে নিতে পারেন। ৭. স্ট্রেস দূর করতে মাত্র ২০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করুন। চেয়ারে বসুন। ঠাণ্ডা মাথায় এক থেকি বিশ পর্যন্ত গুনতে থাকুন আর গভীর শ্বাস নিতে থাকুন। এতে দেখবেন নিমিষেই মানসিক চাপ চলে গেছে।
বাড়ল নোবেল পুরস্কারের আর্থিক অংক পূর্ববর্তী

বাড়ল নোবেল পুরস্কারের আর্থিক অংক

পাকিস্তানের যে দ্বীপে কেবল থাকে কুকুর পরবর্তী

পাকিস্তানের যে দ্বীপে কেবল থাকে কুকুর

কমেন্ট