মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়
চট্টগ্রামে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের দুটি মোটরবাইক আটক
চট্টগ্রামে চোরাচালানের অভিযোগে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন নিষিদ্ধ দুটি মোটরসাইকেল আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। মোটরবাইক দুটির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানাধীন পাথরঘাটা এলাকার ৬৮, বান্ডেল রোডের ‘মা’ ভবনের নিচতলা হতে মোটরসাইকেল দুটি আটক করা হয়।
শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর থেকে জানানো হয়েছে, গত ৫ অক্টোবর শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে কর্মকর্তারা ইমতিয়াজ হাবিব নামে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন ওই ভবনের নিচতলার পার্কিংয়ে একটি কালো রঙের হার্লে ডেভিসন মোটরবাইক (রেজিস্ট্রেশন নং-ঢাকা মেট্রো এ-১১২৮) এবং একটি রয়েল এনফিল্ড মোটরবাইকের (ঢাকা মেট্রো-এ-০১১৭) সন্ধান পান। মোটর বাইক দুটির আমদানি এবং রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত দলিলাদি দেখাতে বললে মালিকপক্ষ তা দেখাতে ব্যর্থ হন।
পরবর্তীতে মোটরবাইক দুটোর আমদানিযোগ্যতা নিয়ে আরো যাচাইয়ের জন্য কাস্টমস গোডাউনে জমা করা হয়। পরে বিআরটিএ থেকে তথ্য নিয়ে জানা যায় মোটরসাইকেল দুটিতে ব্যবহৃত রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুয়া।
উল্লেখ্য যে, আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-১৮ এর আমদানি নিয়ন্ত্রিত পণ্যের তালিকা-পরিশিষ্ট-১ অনুযায়ী ১৫৫ সিসি’র উর্ধ্বে সকল মোটর সাইকেল আমদানি নিষিদ্ধ। মোটরসাইকেল দুটোর সিসি যথাক্রমে ১৬৯০ সিসি এবং সাড়ে ৩শ সিসি। সে অনুযায়ী এগুলা আমদানি নিষিদ্ধ। এধরনের মোটরবাইক কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহীনির সদস্যরা ব্যবহার করতে পারেন।
এত উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন মোটরবাইক কেন ও কীভাবে আনা হয়েছে তা আরো অনুসন্ধান চলছে। মোটরবাইক ব্যবহারকারীদের সম্পর্কেও তথ্য নেয়া হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, মোটরসাইকেল দুটো চোরাচালানের মাধ্যমে অথবা অন্য কোন পণ্যের আড়ালে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে।
এবিষয়ে বিভাগীয় মামলা দায়েরসহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
কমেন্ট