আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক দল মনে করি না; একটা মাফিয়া পার্টি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অ্যান্টার্কটিকায় দুর্ভিক্ষে মারা গেল প্রায় ৪০ হাজার পেঙ্গুইন!
অ্যান্টার্কটিকায় পেঙ্গুইনদের একটি কলোনিতে দুর্ভিক্ষে মারা গেল প্রায় ৪০ হাজার পেঙ্গুইন! মাত্র দুটি পেঙ্গুইনের বাচ্চা বেঁচে গেছে ভয়ানক এই বিপর্যয়ে। পেঙ্গুইনদের এই প্রজনন মৌসুমটি সবচেয়ে ‘সর্বনাশা মৌসুম’ হিসেবে লেখা থাকবে। গত চার বছরের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার একসাথে এত বড় প্রাণহানী ঘটলো পেঙ্গুইনদের। এর আগে ৫০ বছরেও সেরকম বিপর্যয়ের খবর পাওয়া যায়নি।
বরফ ঢাকা অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের পেট্রেলস দ্বীপে প্রায় ১৮ হাজার জোড়া পেঙ্গুইন প্রজনন কাল পার করছিল। সেখানে জন্ম নেওয়া পেঙ্গুইনের বাচ্চাদের মধ্যে মাত্র দুটো বাচ্চাকে জীবিত পাওয়া গেছে বলে জানায় ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান। সেই দ্বীপটির চতুর্দিকে অসংখ্য ডিম, না খেয়ে মরা পেঙ্গুইনের বাচ্চা দেখতে পাওয়া যায়। পেঙ্গুইনের সে কলোনিটিতে যেন বড় আকারের কোন দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল!
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয় এই দুর্ঘটনার ফলে নড়েচড়ে বসেছে পরিবেশবাদী সংগঠন ও পশুপ্রেমী মানুষ। পূর্ব অ্যান্টার্কটিকাতে পেঙ্গুইনদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা প্রস্তুত করার দাবি উঠেছে। এ নিয়ে আগামী সপ্তাহে ২৪ টি দেশের প্রতিনিধিরা বসছে বলে জানা যায়। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নও অ্যান্টার্কটিকার প্রাণীকুল সুরক্ষায় একটি কমিশন গঠন করেছে।
এই বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে জানা যায় এই গ্রীষ্মেও সামুদ্রিক বরফের পরিমাণ বেশি ছিল। এজন্য খাবার সংগ্রহে তাদেরকে ১০০ কিলোমিটার দূরে যেতে হতো। প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে বাচ্চা পেঙ্গুইনরা বিপাকে পড়েছিল এবং নিজেদেরকে উষ্ণ রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল।
এই বছর অ্যান্টার্কটিকায় রেকর্ড পরিমাণ সামুদ্রিক বরফ (সি-আইস) জমেছিল। পেঙ্গুইনদের সেই কলোনিও এর মধ্যে পরে যায়। এর ফলে এই বিশাল সংখ্যক পেঙ্গুইনের ভয়ানক পরিণতি নেমে আসে।
কমেন্ট