ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া কোনো স্লোগান নয়, পরিকল্পনা : প্রধানমন্ত্রী
করোনার টিকা তৈরি হয়ে যাবে সেপ্টেম্বরেই!
মারণ ভাইরাস করোনার ওষুধ তৈরিতে আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি। প্রতিষেধক নিয়ে আশার বাণী শোনাতে পারেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে এরই মধ্যে এক ভারতীয় সংস্থা দাবি করল, আগামী সেপ্টেম্বরেই করোনার টিকা বাজারে আসছে।
পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট (বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা) দাবি করছে, আর মাস ছ’য়েরও অপেক্ষা নয়। তার আগেই বিশ্ববাসীকে এই ভয়াবহ রোগ থেকে মুক্তি দিতে চলেছে তাঁরা।
সেরাম ইনস্টিটিউট বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা। ৫৩ বছর পুরনো এই সংস্থাটি প্রতি বছর সব মিলিয়ে দেড়’শ কোটি ওষুধ তৈরি করে। আপাতত করোনার ওষুধ তৈরিই সেরামের মুল লক্ষ্য। এবং সেই লক্ষে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করছে তাঁরা।
অক্সফোর্ডের গবেষকরা ইতিমধ্যেই মানুষের শরীরে করোনার ওষুধের পরীক্ষা করা শুরু করে দিয়েছে। এছাড়া কয়েকটি আমেরিকার সংস্থার সঙ্গেও চুক্তি করেছে সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে সংস্থার প্রধান আদর পুনাওয়ালা বলছেন, আমাদের আশা মে মাসের শেষেই আমরা প্রতিষেধক তৈরি করা শুরু করে দেব। এর সমস্ত পরীক্ষা নিরিক্ষা সেপ্টেম্বরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। তখনই ভারত এবং বিশ্ববাসীর হাতে এই টিকা আমরা তুলে দিতে পারব। আমরা নিজেরাই আগে বলেছিলাম টিকা তৈরি হতে ২০২১ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। কিন্তু অক্সফোর্ডের গবেষকরা ইতিমধ্যেই মানুষের শরীরে পরীক্ষা শুরু করে দিয়েছে।ওরা অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে।
পুনাওয়ালা বলছেন, করোনার যে টিকা তাঁরা আনছেন তার দামও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে। মাত্র হাজার টাকা দিলেই মিলবে এই ওষুধ।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দাবি করে করোনার প্রতিষেধক হিসেবে অন্তত ৭০টি ওষুধ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে। এদের মধ্যে অন্তত ৩টি ওষুধের অনেকটা অগ্রগতি হয়েছে এবং এই তিনটি ওষুধ আশা জাগাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি ঘটিয়েছে হংকংয়ের একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা।কিন্তু তখনও অক্সফোর্ডের গবেষণার কথা প্রকাশ্যে আসেনি।
কমেন্ট