করোনা: রোজায় রক্তনালির রোগ ও হৃদরোগে আক্রান্তদের সুস্থতায় করণীয়

করোনা: রোজায় রক্তনালির রোগ ও হৃদরোগে আক্রান্তদের সুস্থতায় করণীয়

মহামারী করোনাভাইরাস নিয়ে সারাবিশ্বের সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে যারা অন্য রোগে আক্রান্ত, তাদের দুশ্চিন্তা অন্যদের চেয়ে বেশি। কারণ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, এসব রোগীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। অন্যদিকে এখন চলছে রমজান মাস। তাই এ সময় এসব রোগীর সুস্থ থাকতে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা। কিন্তু করোনা মহামারীর এই সময়ে হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির রোগীরা রোজা রেখে কীভাবে সুস্থ থাকবেন। হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালি রোগীর ওপর রোজার প্রভাব হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির ওপর রোজার প্রভাব নিয়ে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক গবেষণা চলছে। গবেষণায় দেখা যায়, রোজা উচ্চরক্তচাপ, রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ও প্রদাহ কমায়, ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা তথা কার্যকারিতা বাড়ায়। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজতর হয়। আর ওজনও নিয়ন্ত্রণ করে। হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির রোগীদের একটি বড় অংশ ডায়াবেটিসে ভুগে থাকেন। তাই রমজানে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণও অত্যন্ত জরুরি। এ ব্যাপারে রমজানের শুরুতেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শক্রমে ওষুধের সময় ও মাত্রা ঠিক করে নিতে হবে। দেখা যাচ্ছে, হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির রোগের প্রায় সবকটি নিয়ামকের ওপরই রোজার উপকারী প্রভাব রয়েছে। স্ট্রোক ও রোজা হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির রোগের ঝুঁকিতে আছেন এমন রোগীর ওপর পরিচালিত এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, রোজা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। রোজা রাখার কারণে স্ট্রোকের সঙ্গে সম্পর্কিত রক্তের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কমে যায় (হাইসেনসিটিভিটি সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন ও প্লাজমিনোজেন অ্যাকটিভেটর ইনহিবিটর-১)। ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে। খাবার খাবারে বাড়তি লবণ, লাল মাংস ও অতিরিক্ত তেল বা মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না। এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি, শাকসবজি ও ভিটামিন সি জাতীয় ফলমূল খাওয়া ভালো। ওষুধ রোজা রাখছেন এমন হৃদরোগীর জন্য ওষুধের সময় ও মাত্রায় কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে। এটিও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক করা উচিত। হৃদরোগের বেশ কিছু ওষুধ দিনে একবার বা দুবার খেতে হয়। ইফতার ও সেহরির সঙ্গে এগুলোকে মিলিয়ে নেয়া যেতে পারে। আবার বুকে ব্যথা হলে প্রয়োজনে জিহ্বার নিচে নাইট্রেট ট্যাবলেট বা স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে রোজার ক্ষতি হয় না।
১৯ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপ, গবেষণা চলছে পূর্ববর্তী

১৯ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপ, গবেষণা চলছে

ছেলে সেজে ধর্ষণের প্রস্তাব দিয়েছিল ছাত্রী! এরপর... পরবর্তী

ছেলে সেজে ধর্ষণের প্রস্তাব দিয়েছিল ছাত্রী! এরপর...

কমেন্ট