ঠোঁটের যত্নে লিপস্টিকের ব্যবহার

ঠোঁটের যত্নে লিপস্টিকের ব্যবহার

সাজতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। আবার অনেকে খুব একটা না সাজলেও ঠোঁট রাঙিয়ে নিতে ভোলেন না। কমবেশি সব মেয়ের কাছেই লিপস্টিক থাকে। কিন্তু লিপস্টিক যে ঠোঁটে দেবেন তা-ই যদি হয় ফেটে চৌচির তাহলে আর কেমন হয়।

সাধারণত শীতকালে ঠোঁট ফেটে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু গরমকালেও কারো কারো কমবেশি ঠোঁট ফাটে। আর যদি প্রয়োজনের তুলনায় একটু কম পানি খাওয়া হয় তাহলে তো কথাই নেই। কিছু সময়ের জন্য হলেও অস্বস্তির কারণ হয়ে ওঠে ঠোঁট। লিপস্টিক লাগাতে গেলেও ফাটা অংশ আরও ফুটে ওঠে। রুক্ষ দেখায় মুখ। 


আরও পড়ুন: ঠোঁটের সুরক্ষায় লিপ বাম

তাই শুষ্ক ঠোঁটে লিপস্টিক লাগানোর আগে চারটি ধাপ মেনে চলুন। তা হলেই আর বেমানান লাগবে না লিপস্টিক।
 
১. রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে মাস্ক ব্যবহার করুন। সাধারণত মুখ কিংবা চুলে অনেক ধরনের মাস্ক লাগানো হয়। কিন্তু ঠোঁটের বেলায় খানিকটা অবহেলা হয়। তা না করে ঠোঁটে ঘরে তৈরি কোনো মাস্ক লাগান। ঠোঁটের বাম লাগালে চলবে না। এমন কিছু লাগাতে হবে, যা তার চেয়েও বেশি আর্দ্র রাখবে ঠোঁট। মধুর সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে লাগানো এ ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর হতে পারে।
 
২. লিপস্টিক লাগিয়ে বেরোনোর আগে ভালোভাবে যেকোনো স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। চিনির গুঁড়ো আর ময়দা বা বেসন সামান্য পানি দিয়ে মিশিয়ে লাগাতে পারেন। তাতে ফাটা চামড়া উঠে যাবে। ঠোঁট নরম হবে।
 
৩. স্ক্রাব করার পর ভালো করে ঠোঁট ধুয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর তাতে লাগিয়ে ফেলুন কোনো একটি লিপ বাম। সেভাবে অন্তত ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। তারপর লিপস্টিক লাগান।

আরও পড়ুন: ঠোঁটের কালচে দাগ দূর করার উপায়
 
৪. ঠোঁট ফেটে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিলে কখনোই ম্যাট ফিনিশ লিপস্টিক লাগাবেন না। এ ক্ষেত্রে বেশ কোমল, আর্দ্র কোনো লিপস্টিক লাগান। তাতে ঠোঁট আরও মসৃণ দেখাবে।

প্রথম সন্তানের হৃদরোগ হলে কি দ্বিতীয়টিরও হয়? পূর্ববর্তী

প্রথম সন্তানের হৃদরোগ হলে কি দ্বিতীয়টিরও হয়?

পৃথিবী থেকে বিদায় নিচ্ছে পোকামাকড় পরবর্তী

পৃথিবী থেকে বিদায় নিচ্ছে পোকামাকড়

কমেন্ট