অভ্যুত্থানে গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী
গরমে হিটস্ট্রোক এড়িয়ে নিরাপদ ব্যায়ামে মানতে হবে যেসব নিয়ম
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গবেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে অতিরিক্ত গরমের কারণে শারীরিক কসরত বন্ধ করে দিলে তা মানুষের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে সতর্কতা না মেনে প্রচণ্ড গরমে শরীরচর্চা বা খেলাধুলা করলে হিটস্ট্রোকের মতো বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি তৈরি হয়। গরমের দিনে শরীর সুস্থ রেখে ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়ার জন্য বিজ্ঞানীরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।
গরমের মধ্যে ব্যায়াম করলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে, কারণ পেশিতে অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে চামড়ার দিকেও রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে হয়। এ সমস্যা এড়াতে দিনের তুলনামূলক ঠাণ্ডা সময়ে, যেমন খুব সকালে বা সন্ধ্যায় ব্যায়াম করা সবচেয়ে উপযোগী।
সরাসরি রোদের মধ্যে না গিয়ে ছায়াযুক্ত স্থানে কসরত করা ভালো। বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকলে ঘাম সহজে শুকায় না, তাই আর্দ্রতার মাত্রা মেপে ব্যায়ামের সময়সীমা ও তীব্রতা কমিয়ে দেওয়া উচিত।
একনাগাড়ে কসরত না করে মাঝে মাঝে এসি ঘর বা ঠাণ্ডা বাতাসের নিচে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।
ব্যায়াম শুরু করার আগে এবং মাঝপথে শরীরকে দ্রুত ঠাণ্ডা করার কিছু কার্যকর পদ্ধতি রয়েছে। শুধু বরফ ব্যবহারের চেয়ে ঠাণ্ডা পানিতে হাত ডুবিয়ে রাখা, শরীরে পানি ঢালা কিংবা ভেজা তোয়ালে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মোছা শরীরকে খুব দ্রুত স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরিয়ে আনে।
ব্যায়ামে যাওয়ার আগে ‘আইস স্লারি’ বা হালকা বরফযুক্ত পানি পান করলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া একটানা ৭ থেকে ১৪ দিন অল্প অল্প করে গরমে ব্যায়ামের অভ্যাস করলে শরীর তা মানিয়ে নেয়। তবে মাথা ঘোরা, বমি ভাব, মাত্রাতিরিক্ত ক্লান্তি বা বুক ধড়ফড় করার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ব্যায়াম থামিয়ে ঠাণ্ডা স্থানে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি।
কমেন্ট