নেতাকর্মীদের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
নেইমারবিহীন ফ্রান্সের কাছে ব্রাজিলের হার, ভক্তদের শান্ত থাকার পরামর্শ আনচেলত্তির
২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রস্তুতি ম্যাচে শক্তিশালী ফ্রান্সের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছে নেইমারবিহীন ব্রাজিল। প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে ব্রাজিলের স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারকে রাখা হবে কিনা, এ নিয়ে তুমুল জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নামে সেলেসাওরা।
তবে সমর্থকরা ঠিকই মিস করেছেন নেইমারকে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বোস্টনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের গ্যালারি থেকে নেইমারকে দলে ফেরানোর দাবি তুলেছেন তারা। গ্যালারি থেকে প্রতিমুহূর্তে ‘নেইমার, নেইমার’ বলে চিৎকার করেছেন তার সমর্থকরা।
সমর্থকদের এমন ঘটনায় ব্রাজিলিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ম্যাচ শেষে ব্রাজিল কোচের মন্তব্য, বর্তমান দলে যারা আছেন, তাদের ওপরই পূর্ণ আস্থা রাখতে চান তিনি।
প্রসঙ্গত, পেশির চোটের কারণে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোসের হয়ে সাম্প্রতিক ম্যাচ মিস করায় ৩৪ বছর বয়সি নেইমারকে প্রীতি ম্যাচের স্কোয়াডে রাখেননি আনচেলত্তি। নেইমারের অভাব বোধ করলেও কোচ গুরুত্ব দিচ্ছেন যারা মাঠে ফিট থেকে লড়ছেন তাদের ওপর।
বর্তমান দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এই ইতালিয়ান মাস্টারমাইন্ড সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের এখন তাদের নিয়ে কথা বলা উচিত যারা এখানে আছে, যারা মাঠে নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিচ্ছে। আমি তাদের লড়াকু মানসিকতায় সন্তুষ্ট।’
১০ জনের ফ্রান্সের কাছে হারলেও ম্যাচে রাফিনিয়ার মুভমেন্ট এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নিরন্তর প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি। প্রথমার্ধের শেষে রাফিনিয়া কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করায় তাকে তুলে নেওয়া হলেও তার পারফরম্যান্স ইতিবাচক ছিল বলে মনে করেন আনচেলত্তি।
উল্লেখ্য, নেইমার ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা (৭৯ গোল) হলেও ২০২৩ সালের গুরুতর ইনজুরির পর থেকে এখনো পূর্ণ ছন্দে ফিরতে পারেননি। আনচেলত্তি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, নেইমার যদি পুরোপুরি ফিট হন, তবেই তাকে বিশ্বকাপ দলে বিবেচনা করা হবে।
এদিকে ফ্রান্সের কাছে হারলেও দলের খেলায় সম্ভাবনা দেখছেন আনচেলত্তি। তার মতে, এই পারফরম্যান্স প্রমাণ করে যে ব্রাজিল বিশ্বের যেকোনো সেরা দলের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
আগামী ৩১ মার্চ অরল্যান্ডোতে ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে সেলেসাওরা। ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ মুহূর্তের ভুলত্রুটিগুলো শুধরে নেওয়াই এখন ব্রাজিলের মূল লক্ষ্য।
কার্লো আনচেলত্তি
কমেন্ট