পাকিস্তানের দুই অভিষিক্ত বেশ ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে

পাকিস্তানের দুই অভিষিক্ত বেশ ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে

ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। প্রথম টেস্ট বলে মনে কিছুটা নার্ভাসনেস থাকার কথা! তবে এমনটা দেখা যায়নি পাকিস্তানের দুই অভিষিক্ত আজান ওয়াইস ও আব্দুল্লা ফজলের শরীরী ভাষায়। 

উল্টো বাংলাদেশকে বেশ ভুগিয়েছে তারা। বিশেষ করে ওপেনার আজান।


ইনিংসের শুরুতেই নাহিদ রানার বল মাথায় লাগলেও দমে যাননি বাঁহাতি ওপেনার। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার নাহিদ-তাসকিন আহমেদদের ওপর ছড়ি ঘোরালেন তিনি।
কতটা ঘুরিয়েছেন, তার প্রমাণ মিলছে আজানের ইনিংসে। অভিষেক ইনিংস খেলতে নেমে এখন কীর্তি গড়ার পথে।


আগামীকাল ১৫ রানের সমীকরণ ঘোচাতে পারলেই অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরির দেখা পাবেন তিনি। দ্বিতীয় দিন শেষে ৮৫ রানে অপরাজিত আছেন ২১ বছর বয়সী ওপেনার। ১৩৩ বলের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১২ চারে।
অন্যদিকে আজানকে শেষ বিকালে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন আরেক অভিষিক্ত ফজল।

দ্বিতীয় উইকেটে দুজনে মিলে ৭৩ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েছেন। সতীর্থর মতো ফজলও অভিষেকে ফিফটি পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তার রান ৩৭। ৭৮ বলের সলিড ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৬ চারে।
এর আগে পাকিস্তানের শুরুটা হয় দুর্দান্ত।


ওপেনিং জুটিতে ১০৬ রান যোগ করেন আজান ও ইমাম-উল-হক। তাদের জুটি ভাঙতে বাংলাদেশ যখন হাপিত্যেশে ছিল ঠিক সেই সময়ে দিনের একমাত্র সাফল্য এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যক্তিগত ৪৫ রানে ইমামকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। পাকিস্তানের ওপেনার বাঁচার জন্য রিভিউ নিলেও রক্ষা হয়নি।
ইমাম ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ না পেলেও দিনের নিয়ন্ত্রণ ঠিকই নিয়েছে পাকিস্তান। কেননা মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৭৯ রান। বাংলাদেশের থেকে এখন পর্যন্ত যদিও ২৩৪ রানে পিছিয়ে তারা। 

এর আগে ৪ উইকেটে ৩০১ রানে দিন শুরু করতে নেমে আজ ব্যাটিং ধসে পড়েছে বাংলাদেশ। ৭৫ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। যদিও দিনের শুরুটা দেখেশুনে শুরু করেছিলেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। 

তবে গত দিনের স্কোরের সঙ্গে আজ ৩৭ রান যোগ করতেই মুশফিক-লিটনের পথ যায় বেঁকে। ব্যক্তিগত ৩৩ রানে লিটন আউট হলে তাদের ৬২ রানের জুটি যায় ভেঙে। এরপর মুশফিক সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগালেও তা হতে দেননি শাহীন শাহ আফ্রিদি। ব্যক্তিগত ৭১ রানের সময় মুশফিকের স্টাম্প ভাঙেন পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার।

শেষ দিকে ২৮ রানের টি-টোয়েন্টি ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে ৪১৩ রানের সংগ্রহ এনে দেন তাসকিন। ১৪৭.৩৬ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি ৩ চার ও ১ ছক্কায় সাজান বাংলাদেশি পেসার। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস। ক্যারিয়ারে ৬ষ্ঠবারের মতো ‘ফাইফার’ পেলেন আব্বাস।

 

চোটের কারণে এল ক্লাসিকোতে অনিশ্চিত ইয়ামাল,২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন তো? পরবর্তী

চোটের কারণে এল ক্লাসিকোতে অনিশ্চিত ইয়ামাল,২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন তো?

কমেন্ট