রাহুল-গিলের সেঞ্চুরিতে চালকের আসনে ভারত
আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনই চালকের আসনে ভারত। রাহুল-শুভমনের সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেটে ৩৬৮ রান করে দিন শেষ করে গৌমত গম্ভীরের শিষ্যরা।
নিউ চণ্ডীগড়ের মহারাজা যাদবিন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন গিল। দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং রাহুলের শুরুটা ছিল খুব ধীর গতি। ম্যাচের ১২ তম ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ সালিমের লেগ স্টাম্পের বাইরের বল মারতে গিয়ে ২৪ রানে আউট হন জয়সওয়াল।
আরেক ওপেনার লোকেশ রাহুল ১১তম ওভারে শরিফির অফস্টাম্পের বাইরের বল রাহুলের ব্যাট ছুঁয়ে চলে যায় উইকেটরক্ষক আফসার জাজাইয়ের কাছে।
তিনি ক্যাচ ধরার পর আউটের আবেদন করেন আফগান ক্রিকেটাররা। কিন্তু আম্পায়ার আউট দেননি। রাহুলও এমন ভাব করেন, যেন বল তাঁর ব্যাটে লাগেনি। প্রথম স্লিপে ফিল্ডিং করা রহমানুল্লাহ গুরবাজ অবশ্য ডিআরএস নেওয়ার কথা বলেন অধিনায়ক হাসমতুল্লা শাহিদিকে।
কিন্তু আফগানিস্তানের অন্য ক্রিকেটাররা তেমন আত্মবিশ্বাসী না থাকায় রিভিউ নেননি শাহিদি। ফলে বেঁচে যান রাহুল। পরে রিপ্লেতে দেখা যায় ভারতীয় ওপেনার পরিষ্কার আউট ছিলেন।
১৬তম ওভারেও রাহুলের বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউয়ের আবেদন করেননি আফগান ক্রিকেটাররা। এ ক্ষেত্রেও আউট হতে পারতেন তিনি।
দু’বার জীবন পেয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ৯০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন রাহুল।
ড্রিংস ব্রেকের পর মাঠে নেমে ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ইনিংসের ৬১তম ওভারে জিয়াউরের বলে স্লিপে গুরবাজের তালুবন্দি হয়ে ১০০ রানে সাজঘরে ফিরেন এই ওপেনার।
তিন নম্বরে নামা সুদর্শনও শতরান করতে পারতেন। ২২ গজে থিতু হয়ে যাওয়ার পরও ৮১ রানে মোহাম্মদ সালিমের দ্বিতীয় শিকার হন সাই। তবে সহজ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সুযোগ নষ্ট করেননি অধিনায়ক শুভমন। দিনের শেষভাগে ৮২তম ওভারে ১৩৮ বল খেলে ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি তুলে নেন ভারতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক। ১০৩ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন গিল।
ক্রিজে শুভমনের সঙ্গী ছিলেন উইকেটরক্ষক রিশভ পন্থ। তিনি অপরাজিত ছিলেন ৫০ রান করে। দিনের শেষে ভারতের রান ৩ উইকেটে ৩৬৮। আফগানিস্তানের কোনো বোলারই তেমন কোনো ব্রেক থ্রো এনে দিতে পারেননি। দিন শেষে আফগানিস্তানের বোলার সালিম ৬৭ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। অন্যদিনে ৬১ রানে ১ উইকেট নেন জিয়াউর।
কমেন্ট