আয়ারল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়ে হতবাক ভারতীয় শিবির

আয়ারল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়ে হতবাক ভারতীয় শিবির

আয়ারল্যান্ডের কাছে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর ভারতীয় শিবিরে এখন এক অদ্ভুত ‘অবিশ্বাস’ কাজ করছে। সহকারী কোচ রায়ান টেন ডেসকাটে বলেছেন, বেলফাস্টের পরিবেশের সঙ্গে মানাতে না পারাই এই বিপর্যয়ের কারণ।

Advertisement

ভারত রেকর্ড তিন বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। সেদিকে আয়ারল্যান্ড এখনও বিশ্বক্রিকেটে পায়ের তলায় মাটি খুঁজে বেড়াচ্ছে। সেই দলটা ভারতকে এভাবে হারিয়ে দেবে, সেটা কে কল্পনা করেছিল?

লরকান টাকারের আয়ারল্যান্ড সেটাই করে দেখিয়েছে, মাত্র তিন দিনে দুটি ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে দেয় দলটি। নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের অভিষেক সিরিজ ছিল এটি। সে উপলক্ষটাও মাটি করে ছেড়েছে আইরিশরা।

রোববার এক রানে হেরে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন টেন ডেসকাটে। তিনি বলেন, ‘একটু অবিশ্বাস্যই লাগছে। যারা সবে বিশ্বকাপ জিতেছেন, তাদের নিয়ে সমালোচনা করাটাও কঠিন। একটা দল শুধু মৌলিক কাজগুলো ভালোভাবে করে আমাদের হারিয়ে দিয়েছে।’

সাবেক ডাচ ক্রিকেটার আয়ারল্যান্ডের প্রশংসা করেন। তবে বলেন, ভারতীয় ব্যাটাররা স্টর্মন্টের মাঠের পরিবেশে নিজেদের মেলাতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘প্রথমেই আয়ারল্যান্ডকে কৃতিত্ব দিতে হবে। আর দ্বিতীয়ত, ভিন্ন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টা আমাদের শিখতে হবে। এটাই এই সিরিজের সবচেয়ে বড় শিক্ষা।’

আইপিএলে পাটা উইকেট আর ছোট বাউন্ডারিতে অভ্যস্ত আইয়ার এবং তার দল এখানে একেবারে ভিন্ন পরিবেশ পেয়েছেন। স্টর্মন্টের পিচ ছিল বেশ বাউন্সি, আর বাউন্ডারিও বড়।

টেন ডেসকাটে স্বীকার করেন, ব্যাটারদের এই পরিবর্তনটা করতে না পারাই কাল হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটাই মূলত আমাদের ডোবাল। ম্যাচের আগে এ নিয়ে কথা হয়েছিল, কিন্তু মাঠে গিয়ে সেটা কাজে লাগাতে পারিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সম্ভবত এমন একটা ধরন আর গতিতে খেলতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি, যেখানে সহজেই ছক্কা মারা যায়। ইংল্যান্ডে গেলেও এই সমস্যা হবে। সেখানে উইকেট একটু দ্রুত হবে, বাতাস একটু কম হতে পারে। কিন্তু সেখানে জিততে হলে মানিয়ে নিতে হবে এবং আরও চালাকির সঙ্গে খেলতে হবে।’

ভারতের পরের গন্তব্য ইংল্যান্ড। সেখানে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ও তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ রয়েছে। সিরিজ শুরু হবে আগামী ১ জুলাই।

   

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচে সেই ক্রোয়েশিয়ান রেফারি পরবর্তী

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচে সেই ক্রোয়েশিয়ান রেফারি

কমেন্ট