অভ্যুত্থানে গুম-খুন ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী
রবিনসন-আর্চারের তোপে ১১০ রানেই গুটিয়ে গেল পাকিস্তান, লর্ডসে নিয়ন্ত্রণ ইংল্যান্ডের
লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনে বল হাতে চালকের আসনে ছিল পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় দিনেই চিত্রপট পুরো বদলে দিল ইংল্যান্ডের বোলাররা।
জফরা আর্চার ও ওলি রবিনসনের তোপের মুখে মাত্র ১১০ রানেই গুটিয়ে গেছে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৯০ রান করা ইংলিশরা এতে পেয়ে যায় ১৮০ রানের বিশাল লিড। দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ৮১ রান তুলে ইতোমধ্যেই ২৬১ রানের শক্ত অবস্থানে পৌঁছে গেছে স্বাগতিকরা।
নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড।
মাত্র ১৩ রানের মধ্যেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে জো রুটের দল। খুররম শেহজাদের তোপে মাত্র ১ রানে বেন ডাকেট ও জর্ডান কক্স সাজঘরে ফেরেন। শুরুর দুর্যোগ সামাল দেন এমিলিও গে ও জো রুট। তৃতীয় উইকেটে ৪৭ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন এই দুজন।
তবে ২৪ রান করে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন অধিনায়ক রুট। টেস্টের সবশেষ ১২ ইনিংসে এ নিয়ে নবমবার লেগ বিফোরের শিকার হলেন তিনি।
দিনের শেষ ভাগে আলো কমে এলে খেলা আর চালানো সম্ভব হয়নি। সে সময় গে ৩০ ও হ্যারি ব্রুক ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শেহজাদ ২টি ও মোহাম্মদ আলি ১টি উইকেট নেন।
এর আগে প্রথম দিনে ইংলিশদের ২৪৮ রানে ৯ উইকেট তুলে নিয়ে দাপট দেখিয়েছিল পাকিস্তানের বোলাররা। তবে শেষ জুটিতে গাস অ্যাটকিনসন ও জশ টাং যোগ করেন মূল্যবান ৪২ রান। অ্যাটকিনসন ৪৫ রান করে আউট হলেও টাং ৩০ রানে অপরাজিত থাকলে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৯০ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংলিশ পেসারদের আগুনে বোলিংয়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। আজান আওয়াইস (৪৬) ছাড়া আর কোনো ব্যাটারই দাঁড়াতে পারেননি, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে সৌদ শাকিলের (১৬) ব্যাট থেকে। ওলি রবিনসনের ৪টি, জফরা আর্চারের ৩টি ও জশ টাংয়ের ২টি উইকেটে ভর করে সফরকারীদের ১১০ রানেই থামিয়ে দেয় ইংল্যান্ড।
কমেন্ট