নাকভির কাছ থেকে ট্রফি না নেওয়ার সিদ্ধান্তে পাকিস্তানেরও আপত্তি ছিল না

নাকভির কাছ থেকে ট্রফি না নেওয়ার সিদ্ধান্তে পাকিস্তানেরও আপত্তি ছিল না

দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের ফাইনালের আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কর্মকর্তাদের সঙ্গে একই গ্যালারিতে বসে খেলা দেখেছিলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। ম্যাচ চলাকালে তাদের মধ্যে হাসি-ঠাট্টাও হয়েছে।

তবে ম্যাচ শেষ হতেই বদলে যায় পরিস্থিতি। পুরুষ দলের মতো এবার ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলও নাকভির হাত থেকে এশিয়া কাপের ট্রফি গ্রহণ করেনি।

ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে অষ্টমবারের মতো নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জেতে ভারত। ম্যাচ শেষে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু তার দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে রানার্সআপের পদক নেন এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভির কাছ থেকে।

ভারতীয় দল দেশে ফেরার পর দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিসিসিআইয়ের সহসভাপতি রাজীব শুক্লা। নাকভির কাছ থেকে ট্রফি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে দলের মধ্যে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এটি ছিল সম্মিলিত সিদ্ধান্ত এবং নাকভিও এ ব্যাপারে কোনো আপত্তি জানাননি।


এর আগে ভারতীয় নারী দলের কোচ অমল মজুমদারও জানিয়েছিলেন, নাকভির কাছ থেকে ট্রফি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিসিসিআইয়ের। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া বলেন, এই সিদ্ধান্ত আগে থেকেই নেওয়া ছিল। ট্রফি দেওয়ার জন্য এসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান খালিদ আল জারুনির নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু সেই বিকল্প প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি। ফলে নাকভির কাছ থেকে ট্রফি না নিয়েই ভারতীয় দল এশিয়া কাপ জয়ের উদ্‌যাপন করে।

রাজীব শুক্লাও জানান, দলের খেলোয়াড়দের আগে থেকেই সিদ্ধান্তটি জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নাকভি নির্ধারিত ব্যক্তির কাছে ট্রফি হস্তান্তরের ব্যবস্থা করে সেখান থেকে চলে যান।

ফাইনালের পর নাকভিকে লক্ষ্য করে গ্যালারি থেকে ‘ট্রফি-চোর’ স্লোগানও শোনা যায়। এর আগে গত বছর একই ভেন্যুতে পাকিস্তানকে হারিয়ে পুরুষদের এশিয়া কাপ জিতেছিল ভারত। সেবারও সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দল নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নেয়নি।

ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক সম্পর্কের অবনতির প্রভাব সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে গত বছরের এপ্রিলে পেহেলগামে হামলার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়। সেই পরিস্থিতিরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্কেও।

শচীনকে পেরিয়ে টেলরের নতুন বিশ্ব রেকর্ড পরবর্তী

শচীনকে পেরিয়ে টেলরের নতুন বিশ্ব রেকর্ড

কমেন্ট