মহাশূন্যে একটি বছর কাটাতে কেমন লাগে?

মহাশূন্যে একটি বছর কাটাতে কেমন লাগে?

চমৎকার দৃশ্য দেখার সুযোগ থাকলেও এক বছর মহাশূন্যের আন্তর্জাতিক একটি স্টেশনে গিয়ে থাকাটা ছুটি কাটানোর জন্য আদর্শ নাও হতে পারে। কিন্তু মার্কিন নভোচারী স্কট কেলিকে ঠিক এই কাজটি করতে হয়। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে গিয়ে তাকে একটানা ৩৪০ দিন থাকতে হয়েছে। . বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘আমি একজন নভোচারী। আমরা মহাশূন্যে যাই। হয়তো একদিন আমরা মঙ্গলে যাব। তখন হয়তো সেখানে আমাদের লম্বা সময় ধরে থাকতে হবে। তাই আমরা মহাশূন্যে থেকে বোঝার চেষ্টা করি, সেখানে লম্বা সময় থাকতে কেমন লাগবে? আর এ জন্য একটি স্পেস স্টেশন হচ্ছে আদর্শ জায়গা।' কিন্তু মহাশূন্যে থাকাটা ছুটি কাটানোর মতো কোন ব্যাপার নয়। সেখানে তাদের অনেক কাজ করতে হয়। তিনি বলেন, 'ভোর ৬টার সময় আমাদের ঘুম থেকে উঠতে হয়। সেখানে আমাদের কাজকর্মকে তিনটা ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথমত বৈজ্ঞানিক গবেষণা। এরপর আছে স্টেশনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার মেরামত করা বা ঠিকঠাক রাখা। এর বাইরে আমাদের প্রতিদিন অনেক ব্যায়ামও করতে হয়।' নিজেকে বৈজ্ঞানিক বলে দাবি করেন না কেলি। তিনি বরং নিজেকে বিজ্ঞানের একটি বিষয় বলে মনে করেন। 'আমাকে হয়তো বিজ্ঞানের অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার চালক বলা যেতে পারে,' তিনি বলেন। স্কট কেলি বলেন, 'যখন অনেক দিন চলে যায়, তখন আমরা স্পেস স্টেশনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি। বিশেষ করে, যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়েছে, সেগুলো নজরদারি করি।' 'মাঝে মাঝে আমরা পৃথিবীকে দেখি। বেগুনি নীলের মাঝে পৃথিবীকে দেখতে খুব ভালো লাগে। তখন আমাদের নিজেদের খুব ভাগ্যবান মনে হয়, যে এই সুন্দর স্থানটি আমাদের ঠিকানা। কিন্তু একই সময় পৃথিবীর অনেক জায়গা দূষণে আক্রান্ত বলেও দেখতে পাই। এখান থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, পৃথিবী কিভাবে পাল্টে যাচ্ছে।'
এখন বাংলাদেশি ডেভেলপাররা ‘গুগল প্লে’তে অ্যাপ বিক্রি করতে পারবে পূর্ববর্তী

এখন বাংলাদেশি ডেভেলপাররা ‘গুগল প্লে’তে অ্যাপ বিক্রি করতে পারবে

সাবধান ফেসবুকে ‘ক্লোন অ্যাকাউন্ট’! পরবর্তী

সাবধান ফেসবুকে ‘ক্লোন অ্যাকাউন্ট’!

কমেন্ট