সংবিধানের দুর্বলতা দূর করার জন্যই জুলাই সনদ এবং গণভোট: আলী রীয়াজ
সিরিয়া থেকে সব সেনা সরিয়ে নেবে যুক্তরাষ্ট্র
সিরিয়ার কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনী এসডিএফের বিরুদ্ধে দেশটির সরকারি সেনাদের ধারাবাহিক সাফল্যে চিন্তায় পড়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন চাচ্ছে, সেখানে থাকা প্রায় দেড় হাজারের মতো সেনা দ্রুত ফিরিয়ে নিতে। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের
গণমাধ্যমটির বরাতে তুরস্কের ইয়েনি সাফাক জানিয়েছে, সিরিয়া সরকার দেশটির উত্তরাঞ্চল থেকে সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। এসডিএফ যদি সত্যিই ভেঙে যায়, তাহলে মার্কিন সেনাদের সিরিয়ায় থাকার প্রয়োজন হবে না।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়, ‘গত এক সপ্তাহের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া ঘটনাপ্রবাহ ঘটেছে।’ যা পেন্টাগনকে সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতির যৌক্তিকতা নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে।
এতদিন ইসলামিক স্টেট (আইএস) মোকাবিলায় এসডিএফের সঙ্গে অংশীদারত্বই ছিল মার্কিন মিশনের মূল ভিত্তি। তবে সিরিয়ান আরব আর্মির ধারাবাহিক অভিযানের মুখে এসডিএফের সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় সেই অংশীদারত্ব কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অবস্থায় সেখানে মার্কিন সেনা রাখতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমানে সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই এই মিশনের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছে। গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর সময় ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি সিরিয়া থেকে সেনা সরানোর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে পেন্টাগন এখনও কিছু বলেনি। সেনা ফিরিয়ে আনার ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এ নিয়ে আমাদের দেওয়ার মতো কিছু নেই। আমরা কাল্পনিক পরিস্থিতি বা ভবিষ্যৎ অভিযানের বিষয়ে মন্তব্য করি না।’
তবে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার বাস্তবায়িত হলে এটি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকারের জন্য একটি বড় কৌশলগত বিজয় হিসেবে বিবেচিত হবে। এর ফলে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে।
কমেন্ট