হরমুজে জাহাজ চলাচলে নতুন শর্ত আরোপ করল ইরান

হরমুজে জাহাজ চলাচলে নতুন শর্ত আরোপ করল ইরান

বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি সরবরাহ রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে যাতায়াতকারী সব বাণিজ্যিক ও যাত্রীবাহী জাহাজের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে ইরান। এখন থেকে এ কৌশলগত জলপথের ইরানি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা দিয়ে যেকোনো জাহাজ পারাপারের ক্ষেত্রে দেশটির নবগঠিত নৌ-কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমতি এবং সমন্বয় রক্ষা করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

 

বুধবার (২০ মে) এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় ইরানি কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, প্রণালির নির্ধারিত এলাকাগুলো ব্যবহারের জন্য এখন থেকে বিশেষ পারমিট বা লাইসেন্স নেওয়া অবশই করণীয়। একই সঙ্গে ইরান এ নতুন নিয়ন্ত্রণ অঞ্চলের আওতাভুক্ত এলাকার বিবরণ ও একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, ইরানের কেশম দ্বীপ থেকে শুরু করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্ম আল-কুয়াইন পর্যন্ত এবং জাবাল মুবারক থেকে ফুজাইরাহর দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত জলসীমা এই নতুন নজরদারি জোনের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই রুটে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে ইরানি লাইসেন্সিং ও সমন্বয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।


তেহরানের দাবি, পারস্য উপসাগরের এ সমুদ্রসীমায় সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করা এবং নৌ-চলাচলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই এ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। হরমুজ প্রণালি হলো বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধমনী, যার ওপর পুরো বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা নির্ভরশীল। ইরানের এ আকস্মিক ও একতরফা পদক্ষেপের ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা ও তেলের দাম চড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির জেরে পেন্টাগন কর্মকর্তার বেইজিং সফর আটকাল চীন পরবর্তী

তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির জেরে পেন্টাগন কর্মকর্তার বেইজিং সফর আটকাল চীন

কমেন্ট