বিশ্বশান্তিতে অবদান রাখা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অবস্থানরত শান্তিরক্ষীদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন
ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে: ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৯ জুন) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই দাবি করেন। খবর এএফপির।
এনবিএ ফাইনালসের একটি খেলা শেষে ফিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে অনেক দর কষাকষি চলছিল এবং এখন তারা আমার মাধ্যমে থামতে সম্মত হয়েছে। আমরা একটি অত্যন্ত ভালো চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছি। চুক্তি সম্পন্ন হতে কতদিন লাগতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, এতে বড়জোর ‘দুই বা তিন দিন’ সময় লাগবে।
রোববার (৭ জুন) বৈরুতে হামলার জবাবে ইসরায়েল অভিমুখে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ও এর পর ট্রাম্পের বাধা উপেক্ষা করে ইরানের অভ্যন্তরে ইসরায়েলের পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছিল। তবে তেহরান সামরিক অভিযান বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, ‘ওই ফ্রন্টে গোলাগুলি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।’ অবশ্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার হলেও যেকোনো সময় নতুন করে সংঘাত শুরু হতে পারে বলে উভয় পক্ষই সতর্কবার্তা দিয়ে রেখেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে এই আঞ্চলিক যুদ্ধ শুরু হয়। কয়েক সপ্তাহের দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তিটি হতে যাচ্ছে। তবে তেহরান শুরু থেকেই একটি শর্তে অনড় রয়েছে—এই সংঘাত অবসানের চূড়ান্ত চুক্তির আওতায় লেবাননেও সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
শান্তি প্রক্রিয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্প ক্রমশ বিরক্ত হয়ে উঠছেন বলে জানা গেছে। ট্রাম্প বলেছেন, শান্তির জন্য চূড়ান্ত আলোচনা এগিয়ে যাবে, ‘যদি না অজ্ঞতা বা মূর্খতা এর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়’।
এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সোমবার (৮ জুন) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছেন, ‘ইসরায়েলি ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনেক অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। কিন্তু এমন কিছু পরিস্থিতিও আছে যেখানে আমাদের স্বার্থ ভিন্ন।’
কমেন্ট