জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ
২ নৌযানের সংঘর্ষের জেরে কূটনৈতিক উত্তেজনা, ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে তলব চীনের
চীন জানিয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরে দুই দেশের নৌযানের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর তারা মঙ্গলবার চীনে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। বিতর্কিত সেকেন্ড থমাস শোল এলাকায় সোমবার (২০ জুন) দুই দেশের নৌযানের মধ্যে সংঘর্ষের পর চীন ও ফিলিপাইন একে অপরকে দোষারোপ করে।
ফিলিপাইনের দাবি, তাদের নৌবাহিনীর এক সদস্যের মাথায় আঘাত করা হয়েছে। অন্যদিকে চীনের অভিযোগ, এই ঘটনার জন্য ফিলিপাইনই দায়ী এবং তারাই আগে উসকানি দিয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ফিলিপাইন প্রথমে উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে, পরে ঘটনাকে বিকৃত করে চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। এদিকে চীন কোস্ট গার্ডের (সিসিজি) দাবি, ফিলিপাইনের যুদ্ধজাহাজ বিআরপি সিয়েরা মাদ্রে থেকে পাঠানো দুটি রাবার বোট একটি চীনা টহল নৌকায় ধাক্কা দেয়।
এ ছাড়া ফিলিপাইনের সদস্যরা বইঠা ও লম্বা লাঠি ব্যবহার করে চীনা কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।
অন্যদিকে ফিলিপাইনের অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় চীনা বাহিনী তাদের এক নৌ সদস্যের মাথায় কাঠের লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং একটি রাবার বোট ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে চীন দাবি করেছে, মানবিক কারণে তারা আহত ফিলিপিনো কর্মীদের ছোট নৌকায় করে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
চীন কোস্ট গার্ডের (সিসিজি) মুখপাত্র জিয়াং লু বলেন, সিসিজি ফিলিপাইনের নৌকাগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে এবং পুরো প্রক্রিয়া নজরদারিতে রেখেছে।
তিনি আরো বলেন, বিতর্কিত সেকেন্ড থমাস শোলের আশপাশের জলসীমায় চীন তাদের ‘অধিকার রক্ষা ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম’ চালিয়ে যাবে।
চীন কোস্ট গার্ড ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এসব বক্তব্যের বিষয়ে বেইজিংয়ে অবস্থিত ফিলিপাইন দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। এদিকে ফিলিপাইনের সামরিক বাহিনী চীনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা চীনের দাবিকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ বলে উল্লেখ করে জানিয়েছে, তাদের সদস্যরা কোনো ধরনের সংঘর্ষ বা উসকানিমূলক পদক্ষেপ শুরু করেনি।
দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
কমেন্ট