থাইল্যান্ডে সশস্ত্র হামলায় ৫ নিরাপত্তা সদস্য নিহত, আহত ৬ বেসামরিক

থাইল্যান্ডে সশস্ত্র হামলায় ৫ নিরাপত্তা সদস্য নিহত, আহত ৬ বেসামরিক

থাইল্যান্ডের অশান্ত দক্ষিণাঞ্চলে এক সশস্ত্র হামলায় পাঁচজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত এবং দুই শিশুসহ ছয়জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার গভীর রাতে নারাথিওয়াত প্রদেশের একটি রাস্তার পাশের চেকপয়েন্টে প্রায় ১০ জন হামলাকারী হামলা চালায়।

 
তারা পিকআপ ট্রাক ও মোটরসাইকেলে করে এসে সামরিক অস্ত্র ও পাইপ বোমা ব্যবহার করে আক্রমণ করে। হামলায় পাঁচজন আধাসামরিক সেনা নিহত হন। আহতদের মধ্যে তিন বছর বয়সী এক মেয়ে ও ১০ বছর বয়সী এক ছেলেও রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারীরা পালানোর আগে চেকপয়েন্ট থেকে তিনটি একে-৪৭ রাইফেল, তিনটি বুলেটপ্রুফ ভেস্ট এবং কয়েকটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।


পরে হামলাস্থল থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে হামলায় ব্যবহৃত পিকআপ ট্রাকটি পুড়িয়ে ফেলা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ হামলার দায় এখনো কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে থাই সরকার ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে নিন্দা করেছে। 
সরকারের মতে, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি এবং চলমান শান্তি প্রচেষ্টার জন্য বাধা।


মালয়েশিয়া সীমান্তবর্তী থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহ চলছে। প্রধানত মুসলিম মালয় অধ্যুষিত পাতানি, ইয়ালা, নারাথিওয়াত এবং সোংখলার কিছু অংশে এই সংঘাত কেন্দ্রীভূত।
সংঘাত পর্যবেক্ষক সংস্থা ডিপ সাউথ ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে চলমান সহিংসতায় সাত হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় ২০১৩ সালে শান্তি আলোচনা শুরু হলেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

তবে থাই সরকার সম্প্রতি প্রধান বিদ্রোহী গোষ্ঠী বারিসান রেভোলুসি ন্যাসিওনাল (বিআরএন)-এর সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করার অঙ্গীকার করেছে।


বিআরএনও সম্প্রতি জানিয়েছে, সংঘাত সমাধানের একমাত্র কার্যকর উপায় হলো সংলাপ।

মালয়েশিয়ায় অভিবাসনবিরোধী অভিযানে ৩২ বাংলাদেশিসহ আটক ১০৮ পরবর্তী

মালয়েশিয়ায় অভিবাসনবিরোধী অভিযানে ৩২ বাংলাদেশিসহ আটক ১০৮

কমেন্ট