ইরানকে সমর্থন বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার

ইরানকে সমর্থন বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার

ইরানকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করতে এবং দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক থেকে ‘দূরে সরে যেতে’ যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। 

মস্কো জানিয়েছে, অন্য কোনো দেশের চাপের কারণে ইরানের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ ও অংশীদারিত্বভিত্তিক সম্পর্ক পরিবর্তন করা হবে না।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এ অবস্থান জানান। 

ইন্টারফ্যাক্সের বরাতে রুশ সংবাদমাধ্যম তাস জানিয়েছে, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পেসকভ এসব কথা বলেন।

এর আগে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়ে বেসেন্ট আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তেহরানকে কোনো ধরনের সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থাকে কোনো ধরনের সমর্থন না দেওয়াই সংঘাত দ্রুত শেষ করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

বেসেন্টের বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ব্যবসা ও আর্থিক সম্পর্ক রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত দিয়েছে। মার্কিন প্রশাসন ইরানের অর্থনীতিকে চাপে ফেলতে এবং দেশটির আন্তর্জাতিক আর্থিক যোগাযোগ সীমিত করতে ধারাবাহিকভাবে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।

এ অবস্থায় রাশিয়ার অবস্থানকে ওয়াশিংটনের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পেসকভ বলেন, রাশিয়ার নিজস্ব অংশীদার ও বন্ধু রয়েছে এবং মস্কো তাদের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও অংশীদারিত্বের সম্পর্ক বজায় রাখবে এবং আরও উন্নত করবে।

তিনি আরও বলেন, অন্য কোনো দেশের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এমন অবস্থানে নেই যে তারা বিষয়টি ‘একচেটিয়াভাবে’ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অর্থাৎ, ওয়াশিংটনের চাপের কারণে মস্কো তার পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তন আনবে না—এমন বার্তাই দিয়েছেন ক্রেমলিনের এই মুখপাত্র।

রাশিয়ার এমন অবস্থান এসেছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে ব্যাপক চাপ প্রয়োগ করছে। মার্কিন ট্রেজারি ইতোমধ্যে ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে এবং আরও নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে।

মার্কিন অস্ত্রের মজুদ নিয়ে সতর্ক করলেন ট্রাম্প পরবর্তী

মার্কিন অস্ত্রের মজুদ নিয়ে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

কমেন্ট